Social Items

 BTB Job Circular 2022 -Nullblogger JOb Notice: বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের শূন্য পদসমূহে জনবল নিয়োগ দেয়া হবে। বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড ৩টি পদে মোট ৬ জনকে নিয়োগ দেবে। পদগুলোতে সকল জেলার নারী ও পুরুষ উভয়েই আবেদন করতে পারবেন। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। সম্পূর্ণ বিজ্ঞপ্তি বিস্তারিত দেওয়া হল। 

 


Bangladesh Tourism Board Job Circular

পদের নাম : প্রশাসনিক কর্মকর্তা
পদ সংখ্যা : ০১ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা : স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি।
বেতন স্কেল : ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা।

পদের নাম: সাঁটলিপিকার কাম কম্পিউটার অপারেটর
পদ সংখ্যা: ০৩ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি।
অন্যান্য যোগ্যতা : সাঁট লিপিতে প্রতি মিনিটে শব্দের গতি বাংলা ও ইংরেজিতে যথাক্রমে ৫০ ও ৮০, কম্পিউটার টাইপিং-এ প্রতি মিনিটে শব্দের গতি বাংলা ও ইংরেজিতে যথাক্রমে ২৫ ও ৩০।
বেতন স্কেল: ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা।

 


পদের নাম: অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক
পদ সংখ্যা: ০২ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পাশ।
অন্যান্য যোগ্যতা : কম্পিউটার টাইপিং-এ প্রতি মিনিটে শব্দের গতি বাংলা ও ইংরেজিতে ২০ শব্দ।
বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা।

আবেদন প্রক্রিয়া: আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে http://btb.teletalk.com.bd এই ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদনপত্র পূরণ করতে পারবেন।

আবেদন শুরুর সময়: ২০ জানুয়ারি ২০২২ তারিখ সকাল ১০:০০ টা থেকে আবেদন করা যাবে।
আবেদনের শেষ সময়: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখ বিকাল ০৫:০০ টা পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।

এখানে চেপে আবেদন করতে পারেন 

 

বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি BTB Job Circular 2022 -Nullblogger.com

 

PID Job circular-Nullbloggter.com: তথ্য অধিদপ্তর (পিআইডি), গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়াধীন একটি গুরুত্বপূর্ণ অধিদপ্তর, সম্প্রতি তথ্য অধিদপ্তর স্থায়ী পদে অস্থায়ীভিত্তিতে সরাসরি লোক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। পিআইডি ৭ টি পদে মোট ৫০ জনকে নিয়োগ দেবে। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। পদগুলোতে নারী ও পুরুষ উভয়েই আবেদন করতে পারবেন। আগ্রহ  ও  যোগ্যতা থাকলে আপনিও আবেদন করতে পারেন। সম্পূর্ণ বিজ্ঞপ্তি বিস্তারিত দেওয়া হল।


 

Pressinform Job Circular 2022

পদের নাম: ইনফরমেশন অ্যাসিস্ট্যান্ট
পদসংখ্যা: ১৩ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি।
বেতন স্কেল: ১২,৫০০-৩০,২৩০ টাকা।

পদের নাম: ফটোগ্রাফার
পদসংখ্যা: ১২ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি।
বেতন স্কেল: ১২,৫০০-৩০,২৩০ টাকা।

পদের নাম: সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর

পদসংখ্যা: ০৭ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি।
অন্যান্য যোগ্যতা : সাঁট লিপিতে প্রতি মিনিটে শব্দের গতি বাংলা ও ইংরেজিতে যথাক্রমে ৪৫ ও ৭০, কম্পিউটার টাইপিং-এ প্রতি মিনিটে শব্দের গতি বাংলা ও ইংরেজিতে যথাক্রমে ২৫ ও ৩০।
বেতন স্কেল: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা।

পদের নাম: ক্যাটালগার
পদসংখ্যা: ০১ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান পাশ।
বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা।

পদের নাম: অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক
পদসংখ্যা: ০২ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় পাশ।
অন্যান্য যোগ্যতা : কম্পিউটার টাইপিং-এ প্রতি মিনিটে শব্দের গতি বাংলা ও ইংরেজিতে  ২০।
বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা।

পদের নাম: অফিস সহায়ক
পদসংখ্যা: ১৪ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি পাশ।
বেতন স্কেল: ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা। 

পদের নাম: পরিচ্ছন্নতাকর্মী

পদসংখ্যা: ০১ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: ৮ম শ্রেণি।
বেতন স্কেল: ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা।

আবেদন শুরুর সময়: ১৯ জানুয়ারি ২০২২ তারিখ সকাল ১০:০০ টা থেকে শুরু হবে।
আবেদনের শেষ সময়: ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখ বিকাল ০৫:০০ টায় শেষ হবে।

আবেদন প্রক্রিয়া: আবেদন করতে হবে অনলাইনে http://pid.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটের মাধমে অনলাইনে আবেদনপত্র পাঠাতে হবে।

 

এখানে চেপে আবেদন শুরু করুন

তথ্য অধিদপ্তর (পিআইডি) নিয়োগ PID Job circular 2022-Nullblogger JOB Notice

 

WARPO Job Circular 2022-Nullblogger Job Notice: পানি সম্পদ পরিকল্পনা সংস্থার শূন্য পদসমূহে জনবল নিয়োগ দেয়া হবে। পানি সম্পদ পরিকল্পনা সংস্থা ০৪টি পদে মোট ৩৫ জনকে নিয়োগ দেবে। পদগুলোতে ঢাকা বিভাগের প্রার্থী ব্যতীত অন্য সকল বিভাগের প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। নারী ও পুরুষ উভয়কেই নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহ ও যোগ্যতা থাকলে আপনিও আবেদন করতে পারেন। সম্পূর্ণ বিজ্ঞপ্তি বিস্তারিত দেওয়া হল।

 


Water Resources Planning Organization (WARPO) Job Circular 2022

পদের নাম: উপ-সহকারী প্রকৌশলী/কার্টোগ্রাফার
পদ সংখ্যা: ১৪ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: পুরকৌশলে ডিপ্লোমাসহ কার্টোগ্রাফিতে ৫ বৎসরের অভিজ্ঞতা।
বেতন স্কেল: ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা।

পদের নাম: হিসাব রক্ষক
পদ সংখ্যা: ০৭ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক ডিগ্রী।
বেতন স্কেল: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা।

পদের নাম: অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর
পদ সংখ্যা: ০৭ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি পাশ।
বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা।

পদের নাম: অফিস সহায়ক
পদ সংখ্যা: ০৭ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি পাশ।
বেতন স্কেল: ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা।

আবেদন প্রক্রিয়া: আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে http://warpo.teletalk.com.bd এই ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদনপত্র পূরণ করতে পারবেন।

আবেদন শুরুর সময়: ২৫ জানুয়ারি ২০২২ তারিখ সকাল ১০:০০ টা থেকে আবেদন করা যাবে।
আবেদনের শেষ সময়: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখ রাত ১২:০০ টা পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।

এখানে চেপে আবেদন করুন

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি warpo job circular 2022

 


Fiverr এর গিগ সম্পর্কে ধারণা -Nullblogger

Fiverr এ সেলাররা তাদের অফারকে যেভাবে উপস্থাপন করে থাকে তা হলো :

আমি $5 এর বিনিময়ে আপনার কাজটি করে দিব, কাজগুলো হতে পারে SEO, ব্যানার ডিজাইন, লোগো ডিজাইন, ভিডিও তৈরি করা,

ওয়েবসাইটের খুটিঁ নাটি ঠিক করা, আর্টিকেল লেখা, ব্যাকগ্রাউন্ড ভয়েস ইত্যাদি কাজ। আপনার দেওয়া অফারটি যদি কোনো বায়ার

পছন্দ করে থাকে তবে তিনি আপনার গিগটি অর্ডার করবে। প্রতিটি $5 গিগের সাথে আপনি চাইলে কিছু এক্সট্রা সার্ভিসও সেল করতে

পারবেন।

ধরুন আপনার গিগটি হল SEO ব্যাকলিঙ্ক তৈরি করার। এখন আপনি বেসিক গিগে $5 এর বিনিময়ে ২০ টি ব্যাকলিঙ্ক সেল করছেন,

আপনি গিগ এক্সট্রা তে বললেন, আমি এক্সট্রা $10 এর বিনিময়ে আরো ৫০টি ব্যাকলিঙ্ক দিব। এভাবে একই গিগের মাধ্যমে আপনি অনেক

বেশি উপার্জন করতে পারেন।

গিগ অর্ডার করার পর বায়ার আপনাকে আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য দিবে, ধরুন SEO গিগের জন্য আপনার বায়ারের ওয়েবসাইট অ্যাড্রেস,

কিওয়ার্ড ইত্যাদি দরকার হবে। বায়ার এসব তথ্য প্রদানের সাথে সাথে আপনার অর্ডারটি অ্যাক্টিভ হয়ে যাবে।

 

প্রতিটি গিগ সাধারণত একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ডেলিভারি করতে হয়, আপনার গিগ তৈরির সময় আপনাকে এই নির্দিষ্ট সময়টি ঠিক

করে দিতে হবে, এবং অবশ্যই এই সময়ের মধ্যে আপনার গিগটি ডেলিভারি দেয়ার চেষ্টা করবেন।

গিগ ডেলিভারি হয়ে গেলে বায়ার আপনার কাজের উপর Feedback দিবে, Feedback Score হল ৫ এর মধ্যে আপনাকে একটা নাম্বার

দিবে বায়ার, চেষ্টা করবেন ভালো কাজের মাধ্যমে বায়ারের থেকে 5 Star Feedback নেয়ার। যত বেশি 5 Star Feedback আপনার

থাকবে, আপনার সেল বাড়ার সম্ভাবনা তত বেশি হবে।

Fiverr এ কাজের উপর ভিত্তি করে আপনার লেভেল বাড়বে। ফাইভারের সেলারদের ৩টি লেভেল আছে, লেভেল ১, লেভেল ২ এবং টপ

রেটেড সেলার। এসব গুলো বিষয়ে সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো:-

Level 1 Seller:

 আপনি সর্বোচ্চ ১৫টি গিগ তৈরি করতে পারবেন।আপনার গিগটি দ্রুত ডেলিভারি করার জন্য Extra Fast অপশনটি অ্যাড করতে পারবেন

এবং এজন্য অতিরিক্ত ডলার অফার করতে পারবেন।৪টি গিগ এক্সট্রা অ্যাড করতে পারবেন প্রতিটি গিগে, এগুলোর জন্য অতিরিক্ত $5, $10,

$20 এবং $40 এর সার্ভিস অফার করতে পারবেন।গিগ মাল্টিপল অপশনটি অ্যাড করতে পারবেন, এক্ষেত্রে বায়ার একবারে আপনার গিগটি

১০বার অর্ডার করতে পারবে চাইলেই।

Level 2 Seller :

Fiverr Level 2 তে আপনাকে ২ মাসের মধ্যে ন্যূনতম ৫০টি অর্ডার সম্পন্ন করতে হবে, একই সাথে ভালো রেটিং রাখতে হবে।

Level 2 Seller হওয়ার সাথে সাথে আপনি Fiverr এ Priority Support পাবেন এবং আরো কিছু এক্সট্রা সুবিধা অ্যাড হবে আপনার

গিগে: আপনি সর্বোচ্চ ২০টি গিগ তৈরি করতে পারবেন। ৫টি গিগ এক্সট্রা অ্যাড করতে পারবেন প্রতিটি গিগে, এগুলোর জন্য অতিরিক্ত

$5, $10, $20, $40 এবং $50 এর সার্ভিস অফার করতে পারবেন। গিগ মাল্টিপল অপশনে বায়ার একবারে আপনার গিগটি সর্বোচ্চ

১৫ বার অর্ডার করতে পারবে চাইলেই।এর সাথে Level 1 এর সব সুবিধা তো থাকছেই।

Fiverr Level 3 –

এখানে আপনার কাজের উপর ভিত্তি করে আপনি Top Rated Sellerও হতে পারবেন। তবে Top Rated Seller

হওয়ার জন্য যেই বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেয়া হয় সেগুলো হল :

    Seniority

    Extremely High Rating

    Volume of Sales

    Exceptional Customer Care

    Community Leadership

অর্থাৎ গিগে ভালো করার সাথে সাথে আপনাকে Fiverr এর ফোরামেও অ্যাক্টিভ থাকতে হবে। Top Rated Seller হিসেবে আপনি যেসব

এক্সট্রা সুবিধা পাবেন সেগুলো হল:

 আপনি সর্বোচ্চ ৩০টি গিগ তৈরি করতে পারবেন। ৬টি গিগ এক্সট্রা অ্যাড করতে পারবেন প্রতিটি গিগে, এগুলোর জন্য অতিরিক্ত $5, $10,

$20, $40, $50 এবং $100 এর সার্ভিস অফার করতে পারবেন প্রতিটি গিগের সাথে।গিগ মাল্টিপল অপশনে বায়ার চাইলে একবারে

আপনার গিগটি সর্বোচ্চ ২০ বার অর্ডার করতে পারবে। Fiverr থেকে VIP Support পাবেন ।

 

 

Fiverr গিগ কি?-Nullblogger

Fiverr গিগ হল একটা কাজের অফার বা কোন সার্ভিস এর নাম। একটা গিগ বানানোর জন্য এইখানে অফার বা সার্ভিস এর কিছু শর্ত দিতে

হবে। যেমন: যদি বলা হয় কাজটি একদিনের ভিতর শেষ করা হবে তাহলে তা একদিনের ভিতরই শেষ করতে হবে। এর জন্য প্রোফাইলে ২৪

ঘন্টা বা এক দিনের একটি টাইমার দেখাবে। একটি সার্ভিস সেল করার জন্য সেটির বর্ণনা যে ঘরে সাজানো হয় তাকেই গিগ বলে

প্রাথমিক ভাবে fiverr গিগটির মূল্য $৫ ডলার অফারে বিক্রি করে কাস্টমারের বা বায়ারের কাছে।

 

 

Fiverr গিগ কিভাবে তৈরি করবেন?-Nullblogger

আপনার Gig পরিষেবা Fiverr এর ভিতর বিক্রি হয়। আপনার Gig তৈরি আপনার প্রতিভা প্রদর্শন এবং ক্রেতাদের তাদের সাথে আপনার

ব্যবসা করার সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করার জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত তথ্য সরবরাহ করার সুযোগ তৈরি করে থাকে।

একটি গিগ তৈরি করতে

১. প্রথমে আপনাকে Fiverr লগ ইন করতে হবে।

২. একটি নতুন GIG তৈরি জন্য ক্লিক করুন।

৩. তারপরে দেখবেন বিক্রয়> Gigs ক্লিক করতে হবে।

(মনে রাখবেন এটি আপনার প্রথমবার গিগ তৈরি করার সময়) বিক্রয়> বিক্রয় শুরু করুন, আপনার বিক্রেতার প্রোফাইলটি পূরণ করুন

এবং তারপরে আপনার গিগ তৈরিতে এগিয়ে যান।

৪. সংক্ষিপ্ত বিবরণ দিতে হবে।

GIG শিরোনাম ক্ষেত্রে আপনার লেখা অল্প হতে হবে, কমপক্ষে 80 অক্ষর পর্যন্ত একটি শিরোনাম লিখতে হবে। আপনার শিরোনাম সংক্ষিপ্ত,

পরিষ্কার, এবং বিন্দু হতে হবে। CATEGORY ড্রপ-ডাউন মেনুতে, আপনার গিগের জন্য যথাযথ বিভাগ এবং তারপরে উপবিভাগটি

নির্বাচন করতে হবে। এগিয়ে যান।

: সুযোগ এবং মূল্য

আপনার প্যাকেজ এলাকার নামের মধ্যে, আপনি যে পরিষেবাটি সরবরাহ করছেন তার সংক্ষিপ্ত শিরোনাম এখানে সুন্দরভাবে লিখতে হবে।

দেওয়া এলাকায় আপনার নৈবেদ্য বিবরণ বর্ণনা করতে হবে।ডেলিভারি সময় ড্রপ ডাউন মেনুতে, আপনার Gig সম্পূর্ণ করার জন্য কতদিন

লাগবে তা নির্বাচন করুন।আপনি আপনার পরিষেবা অন্তর্ভুক্ত করতে চান বিভিন্ন আইটেম নির্বাচন করুন। এটি আপনি যে পরিষেবাটি

সরবরাহ করছেন তার উপর নির্ভর করে। পুনর্বিবেচনার ড্রপ ডাউন মেনুতে, আপনি আপনার Gig এ অন্তর্ভুক্ত সংশোধনগুলির পরিমাণ

নির্বাচন করুন। মূল্য ড্রপ ডাউন মেনুতে, আপনার পরিষেবার জন্য একটি মূল্য নির্বাচন করুন ($ 5 থেকে $ 995 পর্যন্ত)।

৬: বর্ণনা এবং প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী

বর্ণনা এর বিষয়ে বলতে গেলে, আপনার গিগ সংক্ষেপে বর্ণনা করুন (1২00 অক্ষর পর্যন্ত লিখতে পারেন)। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিস্তারিত

হিসাবে ক্রেতাদের তাদের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবে বুঝাতে হবে।

আপনি যা করতে পারবেন:-

 যদি আপনি এখানে কোন একটি URL যোগ করতে চান, তবে অনুমোদিত তালিকা থেকে শুধুমাত্র URL অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন।


প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী এলাকায়, FAQ যোগ করুন ক্লিক করুন

 এখানে আপনি সবচেয়ে সাধারণ প্রশ্নগুলির উত্তর যোগ করতে পারেন। আপনার FAQ গুলি আপনার Gig পৃষ্ঠায় প্রদর্শিত হবে।


ক্রেতাদের জিজ্ঞাসা করতে পারে এমন একটি প্রশ্ন যোগ করুন, এবং তারপরে আপনার উত্তর লিখুন। যোগ ক্লিক করুন।


আপনার FAQ গুলি যোগ করার সময় সংরক্ষণ করুন এবং চালিয়ে যান টিপুন।

৭. আবশ্যকতা:-

আপনার অর্ডারটি শুরু করার জন্য আপনার ক্রেতাকে বলুন। আপনি আপনার ক্রেতা হিসাবে বিনামূল্যে পাঠ্য, বহুবিধ পছন্দ প্রশ্ন, বা একটি

ফাইল আপলোড হিসাবে নির্দেশাবলী সংজ্ঞায়িত করতে পারেন।

৮.গ্যালারি ছবি যুক্ত করতে হবে:

Gig ফটো এলাকায়, একটি চিত্র টেনে আনুন বা ব্রাউজ ক্লিক করুন এবং একটি চিত্র নির্বাচন করুন।আপনার গিগ বর্ণনা বা সম্পর্কিত যে ছবি

আপলোড করুন। আপনি তিনটি ছবি আপলোড করতে পারেন। ছবি আপনার কাজ নমুনা হতে পারে। প্রতিটি চিত্রটি JPEG, PNG, GIF, বা

BMP ফর্ম্যাটে এবং 50 এমবি পর্যন্ত হওয়া উচিত। ইমেজ আপনি মালিকানাধীন করা উচিত। কপিরাইটযুক্ত ছবি ব্যবহার করবেন না; অন্যথায়

আপনার GIG অনুমোদিত হবে না। জিগ ভিডিও এলাকাতে, একটি ভিডিও টেনে আনুন অথবা ব্রাউজ ক্লিক করুন এবং একটি ভিডিও নির্বাচন

করুন। আরো জন্য, আপনার GIG একটি ভিডিও যোগ করা দেখুন।

নোট করে রাখুন:

– এই ক্ষেত্রটি ভিডিও এবং অ্যানিমেশন বিভাগের জন্য বাধ্যতামূলক, তবে অন্যান্য সমস্ত বিভাগের জন্য ঐচ্ছিক। আপনার ভিডিওটি 75

সেকেন্ডের বেশি এবং 50 এমবি থেকে কম নয় তা নিশ্চিত করুন। আমরা সুপারিশ করি যে আপনি উল্লেখ করেন যে আপনার পরিষেবাদি

কেবল Fiverr তে অফার করা আছে।

– একবার আপনি একটি ভিডিও যুক্ত করলে, এটি বাজারে থাম্বনেইল (আপনার আপলোড করা ফটোগুলির জায়গায়) ব্যবহার করা হবে।

জিগ অডিও এলাকায়, একটি অডিও ফাইল টেনে আনুন বা ব্রাউজ ক্লিক করুন এবং একটি ফাইল নির্বাচন করুন।

৯. প্রকাশ করুন:

প্রকাশনা এবং আপনার গিগা প্রচারণা Gig প্রকাশ করুন ক্লিক করুন।

আপনি বিভিন্ন GGG.re কে প্রচার করতে পারেন এমন বিভিন্ন সামাজিক নেটওয়ার্ক দেখতে পাবেন। আপনার GIG উন্নীত করা, শুধু একটি

আইকনে ক্লিক করুন এবং বিস্তারিত পূরণ করুন।  এখানে ক্লিক করে সম্পন্ন করুন

দ্রষ্টব্য: আপনার জিগ একটি ভিডিও ধারণ করে, আপনার গিগাবাইট ভিডিও পর্যালোচনা না হওয়া পর্যন্ত তার অবস্থা মুলতুবি থাকবে। যদি

আপনার GIG একটি ভিডিও ধারণ করে না তবে এটি সক্রিয় লেবেলযুক্ত হবে।

এভাবে আপনার একটি গিগ এর কাজ সম্পন্ন হয়ে থাকে।

লেখা গুলো পড়ে ভালো লাগলে অবশ্যই আপনার বন্ধুদেরকে শেয়ার করতে ভুলবেন না । আপনার সুচিন্তিত মতামত আমার একান্ত কাম্য।

তাই এই বিষয়ে আপনার যদি কোন মতামত থেকে থাকে তাহলে অবশ্যই নিচে কমেন্ট করে জানাবেন। আমি আনন্দের সহিত আপনার

মতামত গুলো পর্যালোচনা করে রেপ্লাই দেওয়ার চেষ্টা করবো।

ভাল থাকবেন।

Fiverr এর গিগ সম্পর্কে ধারণা -Nullblogger

 


আজকের আর্টিকেল এর বিষয় হচ্ছে অ্যাপস থেকে টাকা ইনকাম করা যায় কি না।অ্যাপস থেকে টাকা ইনকাম করা গেলেও তা কিভাবে করে?আমাদের কোন অ্যাপস দিয়ে টাকা ইনকাম করবো?কোন অ্যাপ টি সঠিক?আপনাদের এই সব প্রশ্নের উত্তর আজকে আমরা আমাদের এই আর্টিকেল এর মাধ্যমে দিবো।

তো আপনাদের এখন আমাদের এই আর্টিকেল পরেন তাহলে পুরো বিষয় টি পরিষ্কার হয়ে যাবেন।

মোবাইল দিয়ে কিভাবে টাকা আয় করা যায়?

আমাদের মধ্যে অনেকে আছে অ্যাপস ডাউনলোড করে সেখান থেকে ক্লিক করে বা ওই কাজের নিয়ম মেনে কাজ করে বা গেম খেলে টাকা আয় করছে।টাকা ইনকাম করা যায় ক্লিক করার মাধ্যমে বা ভিডিও দেখার মাধ্যমে বা গেম খেলার মাধ্যমে এই বিষয়টি অনেক আগের থেকেই শুরু হয়েছে।বলা যেতে পারে ১০ বছর বা ১২ বছর আগে অনলাইনে এমন অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে।২০০৮ সালে বা ২০০৯ সালে অনেক অনলাইনে ওয়েবসাইট আসে।এগুলোর মধ্যে একটি ওয়েবসাইট হচ্ছে পি টি সি অথবা পেইড টু ক্লিক এর অর্থ প্রতিটি ক্লিকে ইনকাম করা।এই ওয়েবসাইটের কাজ হচ্ছে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ক্লিক করলে সেই প্রতিটি ক্লিকে তারা টাকা সেট করে রাখতো কাজটি সম্পূর্ণ হলে তারা সেই ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাতো।এই সব ওয়েবসাইটের মধ্যে কিছু ওয়েবসাইট আছে আসল আবার কিছু ওয়েবসাইট আছে  নকল বা বলা যায় যদি আপনি সেই ওয়েবসাইটে কাজ করেন সেই কাজের এমাউন্ট  ঠিক করা থাকে আপনি যদি সেই অনুযায়ী কাজ পূর্ণ করেন তারপরেও আপনাকে কোনো টাকা দেয়া হবেনা কারণ এগুলো নকল।আপনি একটু যদি ভেবে দেখেন আপনি কোনো কাজ করলেন অনেক কষ্ট করে কিন্তু দিন শেষে কোনো টাকা পেলেন না তখন আপনার কেমন মাথা গরম হবে তার উপর।কিন্তু অনলাইনে কাজ করে আপনি যদি টাকা না পান তখন আপনি কার উপর মাথা গরম করবেন?কিন্তু কিছু কিছু আসল ওয়েবসাইট আছে যারা কাজ শেষে পেমেন্ট দিত।এখন আপনার প্রশ্ন হতে পারে কেমন কাজ করলে কত টাকা দিত।

চলুন সংক্ষেপে একটি উদাহরণ দেখে আসা যাক:

উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে আপনি যে ওয়েবসাইতে কাজ করেন সেই ওয়েবসাইটের একটি কাজ হলো এক হাজার টি বিজ্ঞাপন দেখলে আপনাকে ১ ডলার  পেমেন্ট দেয়া হবে।কিন্তু আপনি এক দিনে এতগুলা বিজ্ঞাপন দেখতে পারবেন না।আপনি একদিনে ম্যাক্সিমাম ২০ টা বিজ্ঞাপন থেকে ২৫ টা বিজ্ঞাপন দেখতে পারবেন।তার মানে আপনার এক ডলার টাকা জমতে জমতে ২০ দিন বা ২৫ দিন আবার ১ মাস লেগে যেতে পারে।তাইলে আপনি ১ টি ক্লিকে বাংলাদেশী টাকায় ১০ পয়সা করে পাচ্ছেন মানে ১০ টি ক্লিকে  বাংলাদেশী টাকায় তা দাড়ায় ১ টাকা।তার মানে আপনি এবাবে ২০ দিনে বা ২৫ দিনে এক হাজার টা ক্লিকে ১০০ টাকার মতো পাবেন।এছাড়া আপনি সেই ওয়েবসাইটে রেফারাল কমিশন বলে একটি অপশন থাকবে।এই অপশনের কাজ হলো আপনি যদি এই রেফারাল কমিশনে কাজ করতে হলে আপনাকে একটি লিংক দেয়া হবে সেই লিংক আপনি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করবেন যদি আপনার পরিচিতরা সেই লিংক বেবহার করে ওয়েবসাইটে একাউন্ট খুলে কাজ করে তাহলে আপনি তাদের কাজ গুলোর ১% থেকে ৫% কমিশন পাবেন।তো আপনার ইনকাম বাড়াতে হলে আপনাকে রেফার করতে হবে।আমরা আগে ভাবতাম আমরা যে নেটের বিল দেই সেই নেটের বিল বড়ার জন্য আমরা যদি প্রতিদিন ১০ থেকে ২০ টা বিজ্ঞাপন এ ক্লিক করে টাকা আয় করি তবে মাস শেষে সেই নেট বিল আমরা এই কাজের টাকার মাধ্যমে পূরণ করতে পারি।এখন তো প্রতিটি অ্যাপেই রেফার সিস্টেম অ্যাড করেছে সেই অ্যাপ কর্টিপক্ষরা।যেমন দরেন আপনি বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমেও এখন আপনি রেফার করতে পারবেন।তো আপনারা বুজে গেছেন অনলাইনে ইনকাম করতে কত কষ্টের।কিন্তু আপনাকে বলি এর থেকে আপনি ওয়েব ডিজাইন বা গ্রাফিক্স ডিজাইন কাজ গুলো শিখে কাজ করবেন তখন আপনি একটা এমাউন্ট  পাবেন। তখন আপনার এই অনলাইনে ওয়েবসাইটে থেকে ইনকাম বিষয়টি মাথা থেকে চলে যাবে।

আপনদের একটা প্রশ্ন হতে পারে ওয়েবসাইট থেকে টাকা নেয়ার সময় জে ওরা টাকাটা কিভাবে দেই?

আর্নিং অ্যাপ এর পিছনের গল্প কি?

তো যারা এই ওয়েবসাইট গুলো মেইনটেইন করে তাদের কাছে দুই ধরনের একাউন্ট থাকে একটি হলো বিজ্ঞাপনদাতা একাউন্ট আর আরেকটি হলো ইউজার একাউন্ট।এখন বিজ্ঞাপনদাতা একাউন্ট টা কি?এটা হলো যারা খুব বেশি টাকা দিয়ে অল্প কিছু লোককে অ্যাড দেখানোর জন্য এখানে অ্যাডবেটাইজিং করে।উদারণ হিসেবে বলা যায় তাকে অফার দেয়া হলো ১ ডলার দিলে আপনার ওই বিজ্ঞাপনটা আমরা ১০০ জনকে দেখাবো।তখন সে ১০ ডলারের মতো দেই তখন তারা তার বিজ্ঞাপনটা এক হাজারের এর  মত লোক দেখবে।

আর এখন ইউজার কারা?

মনে করেন আপনাকে কাজ দেয়া হলো আপনি যদি এক হাজার টা বিজ্ঞাপন দেখেন তাহলে আপনাকে ১ ডলার দেয়া হবে।তাহলে এখান থেকে বলা যায় ৯০ শতাংশ টাকা বিজ্ঞাপনদাতার অ্যাকাউন্টে যাচ্ছে আর বাকি ১০ শতাংশ টাকা যাচ্ছে ইউজার একাউন্ট যারা তাদের কাছে।তাহলে বুজা যাচ্ছে যে ওদের কাছ থেকে ১০% টাকা নেয়া কোনো ব্যাপারই না।

এখন প্রশ্ন হতে পারে  বিজ্ঞাপন কেনো দেই তারা?

বিভিন্ন কোম্পানি কেনো বিজ্ঞাপন দেয়?

দুটি কারণে বিজ্ঞাপন দেয়া হতো।একটি হলো এস ই ও সাপোর্টের জন্য আর আরেকটি হলো সেলস বাড়ানোর জন্য।তখনকার সময়ে এইযে ক্লিক টু পেইড ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিয়ে যদি ওয়েবসাইটে ভিসিটর নিয়ে আসা হতো সেটা কিন্তু গুগল অ্যাপস সার্চ রাঙ্কিং এ ভালো পজিশনে থাকতো।কারণ গুগল তখন এতো বুদ্ধিমান ছিল না বা উন্নত ছিল না।গুগল যখন দেখতো যে ওয়েবসাইটে এক হাজারের মতো ভিসিটর হতো তখন গুগল ওই ওয়েবসাইট কে ভালো রাঙ্কিং দিত।কিন্তু গুগল এখন অনেক উন্নত হয়েছে।এখন গুগল সহজে এই চিটিং ধরতে পারে এবং তাদের ভালো রাঙ্কিং করা তো দূরের কথা তাদের রাঙ্কিং আরো নিচে নামিয়ে দেই।সেই হিসাবে এখন আর এই বিজ্ঞাপন চলেনা।

এখন সেলস বাড়ানোর জন্যে মনে করেন আমি আমার একটা বিজ্ঞাপন একটা পত্রিকায় দিলাম।যাদের বিজ্ঞাপনটির উপর আগ্রহ আসে তারা খালি এটি পড়বে।কিন্তু জে অ্যাড দেখে টাকা ইনকাম করতেছে সে তো আর এই বিজ্ঞাপন দেখে প্রোডাক্ট টা কিনবে না।বর্তমানে আমার কাছে মনে হচ্ছে যে সেলস বাড়ানোর জন্য এটি একেবারে অর্থহীন হয়ে গেছে।এখন কথা হচ্ছে 

যেসব অ্যাপস মার্কেটে চলতেছে সেই অ্যাপ গুলোর পলিসি কি?

বর্তমানে আর্নিং অ্যাপস এর পলিসি কি?

এদের পলিসি হলো  আপনাকে ১০ ডলার বা ১০০ ডলার দিয়ে আপনাকে ওদের অ্যাকাউন্টটি কিনে নিতে হবে তারপর আপনাকে ওদের প্রতিটি ভিডিও দেখতে হবে প্রতিটি ভিডিও দেখার জন্য আপনি ২ টাকা করে পাবেন।দেখেন আপনি অন্য ওয়েবসাইটে কাজ করে ১০ পয়সা করে পেতেন কিন্তু আপনাকে এই ওয়েবসাইটে ২ টাকা করে দেয়া হচ্ছে তাদের ভিডিও দেখার জন্য এটা একবারে অসম্ভব।কারণ একটার জন্য আপনি এত টাকা পাচ্ছেন তাহলে আপনি যে তাদের ইউটিউব ভিডিও দেখছেন ইউটিউব ওদেরকে এত টাকা দিচ্ছেনা।এটা মিথ্যে ওয়েবসাইট।এখানে রেফার করেও  টাকা আয় করতে পারবেন আপনি।এটা খারাপ না।এই রেফার আন্তর্জাতিক মার্কেটে অনেক স্বীকৃতি পেয়েছে।

এখন প্রশ্ন হতে পরে এই সব সাইটে মানুষ কেনো ইনভেস্ট করে?

বিভিন্ন মানুষ কেনো আর্নিং অ্যাপস এ ইনভেস্ট করে?

অনেক কারণে মানুষ ইনভেস্ট করে।প্রথম কারণ হলো আমার পরিচিত একজন তো পেমেন্ট পেয়েছে এটা দেখে আরো ৫ বা ৬ জন ইনভেস্ট করে।আরেকটি হলো আপনার টাকাটা উঠে আসার পর অ্যাপ বন্ধ হয়ে গেলেও আপনার লস নেই।যেমন বলা যেতে পারে আমি যদি আট হাজার টাকা ইনভেস্ট করি তাহলে আমি যদি কোনো মতে ৪ মাসে অতিরিক্ত  ২০০০ টাকা পাই তারপর যদি তারা চলে যায় তাহলে আপনার কোনো সমস্যা নেই।কিন্তু আপনার এই চিন্তার মাধ্যমেই ওরা এই বিজনেস করতেসে।

মোবাইল দিয়ে কিভাবে টাকা আয় করা যায়?-Nullblogger

 


 (SEO) কী? এর উদ্দেশ্য ও প্রয়োজনীয়তা
সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) কী? এর উদ্দেশ্য ও প্রয়োজনীয়তা

এই পোস্টে আপনারা জনতে পারেবেন সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন কী,কেন এর প্রয়োজনীয়তা বা কী এর উদ্দেশ্য।তো বকবক না করে শুরু করছি আজকের এসইও পোস্ট।
সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন কী
সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন কে ইংরেজীতে সংক্ষেপে SEO বলে। এর পূর্ণাংগ অর্থ হল Search engine Optimization।সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন এমন একটা পদ্বতি যার মাধ্যমে আপনি সার্চ ইন্জিন ব্যবহার করে আপনার সাইটকে সকলের কাছে বিনামূল্য সকলের কাছে পৌছে দিতে পারেন।আসুন উদাহারন দিয়ে বিষয়টি আরো পরিস্কার হয়ে নিই।

আমরা যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করি তারা সবাই প্রায় সার্চ ইন্জিন এর সাথে পরিচিত। google, yahoo,ask ইত্যাদি।তার মধ্যে গুগল খুবই জনপ্রিয় সার্চ ইন্জিন।আমরা যখন কোন কিছুএ সম্পর্কে জানতে চাই তখন আমরা সার্চ ইন্জিনে তা সার্চ করে থাকি।যেমন আপনি যদি বাংলাদেশের সকল খবরের কাগজের ওয়েব সাইটের লিংক চান তাহলে হয়তো গুগলে গিয়ে সার্চ বক্সে লিখবেন “Bangladeshi newspaper links”।এর পর সার্চ দিলে দেখবেন কিছুক্ষণ পর অনেক গুলো ওয়েব সাইটের লিংক আপনার সামনে এসে হাজির।

এখন আমি মনে মনে ভাবতে পারেন সাইট গুলোর লিংক কী ভাবে এখানে এলো।গুগল কি সাইটগুলোকে বাছাই করেছে না কি সাইটগুলোকে গুগলে সাবমিট করার জন্য কেউ আবেদন করেছে।উপরের দুটো ভাবনাই ঠিক।তবে আগে আবেদন তার পর বাছাই করা।আর সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন হল এই দুই এর সমন্বয়।অর্থাৎ সঠিক ভাবে সার্চ ইন্জিনে সাইট সাবমিট থেকে শুরু করে এর বাছাইকরণ করার সবই সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন।সার্চ ইন্জিনে সাবমিট করা সকল সাইটকে গুগল একটা লিস্ট বা ফলাফল প্রকাশ করে।সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন এর প্রধান কাজ থাকে এই তালিকায় প্রথম পেজে থাকা।আর গুগল এই তালিকা প্রকাশ করে একটি সাইটের জনপ্রিয়তা, প্রয়োজনীয়তা,গুরুত্বপূর্ণতা সহ সকল কোয়ালিটি বিবেচনা করে।আর এসইও এর কাজ হল একটি সাইটের সার্চ ইন্জিনের জন্য কোয়ালিটি সম্পন্ন করে তোলা।
কি কারণে এই সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন করা
আপনাদর অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে কেন আমরা এসইও করবো।এর সহজ উত্তর হয় ওয়েব সাইটের ভিজিটর বা ট্রাফিক বাড়ানো।একটি ভিজিটর ছাড়া ওয়েব সাইট এর কোন মূল্য নেই।আর ভিজিটর বাড়ানোর মূল্য রয়েছে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনের এর গুরুত্ব।সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনের প্রধান প্রধান উদ্দেশ্য গুলোর মধ্যে রয়েছে
১।এর মাধ্যমে আপনার সাইটকে সকলের কাছে সহজে পৌছে দেওয়া
২।আপনার ওয়েব সাইটের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি করা
৩।সাইটের ভিজিটর বৃদ্ধি করা।
৪।বিভিন্ন ধরনের অনলাইন আয় করার প্লাটফর্ম হিসাবে কাজ করে।
৫।তথ্য বিনিময় ও প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার শক্ত ভিত হিসাবে কাজ করে।
সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনের উপকারীতা
এসইও এর প্রয়োজনীয়তা বা উপকারীতা কথা বলে শেষ করা যাবে না।আপনার ওয়েব সাইটের ট্রাফিক বাড়াতে এর মত পদ্ধতির জুড়ি মেলা ভার।আজকের যুগ প্রতিযোগীতায় টিকে থাকার যুগ।কেউ আপনার সাইটকে মনে রাখার মত সময় নেই।তারা সহজে তাদের প্রয়োজনমাফিক তথ্য অতি দ্রুত পেতে চায়।যার জন্য তারা সার্চ ইন্জিন ব্যবহার করে।আর সার্চ ইন্জিন অপটিমাজেশন করা হলে আপনি আপনার সাইটকে সকলের সামনে তুলে ধরতে পারবেন।
আপনার সাইটের ব্যবসায়িক ভাবে প্রচার প্রচারণা করার জন্য সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন তো মাস্ট।অলাইন মার্কেটিং করা,নতুন পণ্য সকলের সামনে তুলে ধরা,নতুন নতুন সফটওয়্যার এর প্রচার প্রচারণা সহ সকল কাজ সহজ করে দিয়েছে এসইও।তাই অনলাইনে আ্যড এর আয় বা অলাইন মার্কেটিং যাই বলুন না কেন অপটিমাইজেশন ছাড়া কোন গতি নেই।যেমন গুগল এ্যাডসেন্স এর কথাই বলি।গুগল এ্যাডসেন্স এ সফলতা পাওয়ার জন্য এসইও অনেক অনেক বড় ভূমিকা পালন করে।অধিক ভিজিটর পাওয়া,ক্লিক পাওয়া,আয় করা সবই সম্ভব হবে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনের মাধ্যমে।তো এবার আপনিই বলুন অনলাইন আয় কিংবা ভিজিটে বাড়ানোর জন্য সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন ছাড়া কোন উপায় আছে?কেন সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন গুগল এ্যাডসেন্স এর আয়ের প্রধান কৌশল তা আমার এই টিউন থেকে আরো ভালো ভাবে বুঝতে পারেন।
সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন শিখতে কি কি লাগবে
আপনি যদি এসইও করা শিখতে চান তা হলে প্রথমে আপনাকে বেশ কিছু মৌলিক বিষয় সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকতে হবে।নিচে এসকল মৌলিক বিষয় গুলো দেওয়া হল:
১।ওয়েব সাইট সম্পর্কে ধারণা
২।কী-ওয়ার্ড বাছাই করণ
৩।ব্যাক লিংক সম্পর্কে ধারণা
৪।পেজ রেংক সম্পর্কে ধারণা
৫।ওয়েব সাইট সাবমিট করা
৬।সার্চ ইন্জিন সম্পর্কে ভালো মানের ধারণা
৭।মেটা ট্যাগ এর ব্যবহার জানা।
৮।অন পেজ আপটিমাইজেশন ও অফপেজ অপটিমাইজেশন সম্পর্কে জানা ইত্যাদি।
উপরের এসকল বিষয় গুলো সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়।তাই এসইও করার জন্য এ সম্পর্কে ধারণা থাকা জরুরী।
শেষ কথা
তো কেমন লাগলো আজকের এই লেখাটি।ভালো লাগলে comments করেন। আপনাদের উপকারে আসলে তবেই আমার পোস্ট করা স্বার্থক হবে.

(SEO) কী? এর উদ্দেশ্য ও প্রয়োজনীয়তা-Nullblogger

 


 ওডেস্ক হলো অনলাইনে আয় করার একটি প্লাটফর্ম বা ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস। আপনি এখানে বিভিন্ন কাজের জন্য এ্যাপ্লাই করে কাজ করতে পারেন।
কাজের ধরন:
ওডেস্ক এ দুইভাবে কাজ করা হয়।

  • এক: মূল্যনির্ধারক বা ফিক্সড ( এখানে কাজ শেষে পেমেন্ট করা হয়)
  • দুই: সময়ভিত্তিক বা আওয়ারলি ( এখানে ওডেস্ক এ একটি সফটওয়ার আছে সেটার নাম ওডেস্ক টিম সেটা চালু করে দিয়ে কাজ করলেই আপনার এ্যাকাইন্টে ডলার জমা হতে থাকে)

কাজের বিভাগ:
এখানে আপনি বিভিন্ন ধরনের কাজ করতে পারবেন। যেমন: ডাটা এন্ট্রি , ওয়েব রিসার্চ , ওয়েব ডেভলব , প্রোগ্রামিং , এনিমেশন ইত্যাদি।
তবে ওয়েব ডেভলব বিশেষ করে ওয়ার্ডপ্রেস এর কাজ বেশি থাকে। আমি আপনাদের পরামর্শ দেবো আপনারা ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ে ভালোভাবে কাজ শিখুন
পেমেন্ট অপশন:
ওডেস্ক থেকে আপনি পেপা্ল , ক্রেডিট কার্ড , ব্যাংক ওয়ার , মানিবুকার্স এর মাধ্যমে টাকা উঠাতে পারবেন। তবে এর মধ্যে আমাদের বাংলাদেশের জন্য মানিবুকার্স টাই জনপ্রিয় এবং সহজ।

ওডেস্ক কি?-Nullblogger

 


আজ আমি(Nullblogger) যে বিষয় নিয়ে লিখতে যাচ্ছি তা হয়ত অনেকেরই জানা কিন্তু আমার বিস্বাস ৫০% কম্পিউটার ইউজারই জানেনা এর ব্যবহার, এগুলো যানা থাকলে কাজের ক্ষেত্রে অনেক সুবিধা হবে। আজ আমি লিখব ১০০ কী-বোর্ড শর্টকার্ট নিয়ে। আর এই টিউনটি নতুন কম্পিউটার ইউজারদের জন্য অনেক হেল্পফুল হবে

 আশা করি।  

 

  • CTRL+C (Copy)
  • CTRL+X (Cut)
  • CTRL+V (Paste)
  • CTRL+Z (Undo)
  • DELETE (Delete)
  • SHIFT+DELETE (Delete the selected item permanently without placing the item in the Recycle Bin)
  • CTRL while dragging an item (Copy the selected item)
  • CTRL+SHIFT while dragging an item (Create a shortcut to the selected item)
  • F2 key (Rename the selected item)
  • CTRL+RIGHT ARROW (Move the insertion point to the beginning of the next word)
  • CTRL+LEFT ARROW (Move the insertion point to the beginning of the previous word)
  • CTRL+DOWN ARROW (Move the insertion point to the beginning of the next paragraph)
  • CTRL+UP ARROW (Move the insertion point to the beginning of the previous paragraph)
  • CTRL+SHIFT with any of the arrow keys (Highlight a block of text)
  • SHIFT with any of the arrow keys (Select more than one item in a window or on the desktop, or select text in a document)
  • CTRL+A (Select all)
  • F3 key (Search for a file or a folder)
  • ALT+ENTER (View the properties for the selected item)
  • ALT+F4 (Close the active item, or quit the active program)
  • ALT+ENTER (Display the properties of the selected object)
  • ALT+SPACEBAR (Open the shortcut menu for the active window)
  • CTRL+F4 (Close the active document in programs that enable you to have multiple documents open simultaneously)
  • ALT+TAB (Switch between the open items)
  • ALT+ESC (Cycle through items in the order that they had been opened)
  • F6 key (Cycle through the screen elements in a window or on the desktop)
  • F4 key (Display the Address bar list in My Computer orWindows Explorer)
  • SHIFT+F10 (Display the shortcut menu for the selected item)
  • ALT+SPACEBAR (Display the System menu for the active window)
  • CTRL+ESC (Display the Start menu)
  • ALT+Underlined letter in a menu name (Display the corresponding menu)
  • Underlined letter in a command name on an open menu (Perform the corresponding command)
  • F10 key (Activate the menu bar in the active program)
  • RIGHT ARROW (Open the next menu to the right, or open a submenu)
  • LEFT ARROW (Open the next menu to the left, or close a submenu)
  • F5 key (Update the active window)
  • BACKSPACE (View the folder one level up in My Computer or Windows Explorer)
  • ESC (Cancel the current task)
  • SHIFT when you insert a CD-ROM into the CD-ROM drive (Prevent the CD-ROM from automatically playing)

 

Dialog Box Keyboard Shortcuts  

 

  • CTRL+TAB (Move forward through the tabs)
  • CTRL+SHIFT+TAB (Move backward through the tabs)
  • TAB (Move forward through the options)
  • SHIFT+TAB (Move backward through the options)
  • ALT+Underlined letter (Perform the corresponding command or select the corresponding option)
  • ENTER (Perform the command for the active option or button)
  • SPACEBAR (Select or clear the check box if the active option is a check box)
  • Arrow keys (Select a button if the active option is a group of option buttons)
  • F1 key (Display Help)
  • F4 key (Display the items in the active list)
  • BACKSPACE (Open a folder one level up if a folder is selected in the Save As or Open dialog box)

 

Microsoft Natural Keyboard Shortcuts

 

  • Windows Logo (Display or hide the Start menu)
  • Windows Logo+BREAK (Display the System Properties dialog box)
  • Windows Logo+D (Display the desktop)
  • Windows Logo+M (Minimize all of the windows)
  • Windows Logo+SHIFT+M (Restore the minimized windows)
  • Windows Logo+E (Open My Computer)
  • Windows Logo+F (Search for a file or a folder)
  • CTRL+Windows Logo+F (Search for computers)
  • Windows Logo+F1 (Display Windows Help)
  • Windows Logo+ L (Lock the keyboard)
  • Windows Logo+R (Open the Run dialog box)
  • Windows Logo+U (Open Utility Manager)

 

Accessibility Keyboard Shortcuts

 

  • Right SHIFT for eight seconds (Switch FilterKeys either on or off)
  • Left ALT+left SHIFT+PRINT SCREEN (Switch High Contrast either on or off)
  • Left ALT+left SHIFT+NUM LOCK (Switch the MouseKeys either on or off)
  • SHIFT five times (Switch the StickyKeys either on or off)
  • NUM LOCK for five seconds (Switch the ToggleKeys either on or off)
  • Windows Logo +U (Open Utility Manager)

 

Windows Explorer Keyboard Shortcuts

 

  • END (Display the bottom of the active window)
  • HOME (Display the top of the active window)
  • NUM LOCK+Asterisk sign (*) (Display all of the subfolders that are under the selected folder)
  • NUM LOCK+Plus sign (+) (Display the contents of the selected folder)
  • NUM LOCK+Minus sign (-) (Collapse the selected folder)
  • LEFT ARROW (Collapse the current selection if it is expanded, or select the parent folder)
  • RIGHT ARROW (Display the current selection if it is collapsed, or select the first subfolder)

 

Shortcut Keys for Character Map

 

  • After you double-click a character on the grid of characters, you can move through the grid by using the keyboard shortcuts:
  • RIGHT ARROW (Move to the right or to the beginning of the next line)
  • LEFT ARROW (Move to the left or to the end of the previous line)
  • UP ARROW (Move up one row)
  • DOWN ARROW (Move down one row)
  • PAGE UP (Move up one screen at a time)
  • PAGE DOWN (Move down one screen at a time)
  • HOME (Move to the beginning of the line)
  • END (Move to the end of the line)
  • CTRL+HOME (Move to the first character)
  • CTRL+END (Move to the last character)
  • SPACEBAR (Switch between Enlarged and Normal modewhen a character is selected)

 

Microsoft Management Console (MMC) Main Window Keyboard Shortcuts

 

  • CTRL+O (Open a saved console)
  • CTRL+N (Open a new console)
  • CTRL+S (Save the open console)
  • CTRL+M (Add or remove a console item)
  • CTRL+W (Open a new window)
  • F5 key (Update the content of all console windows)
  • ALT+SPACEBAR (Display the MMC window menu)
  • ALT+F4 (Close the console)
  • ALT+A (Display the Action menu)
  • ALT+V (Display the View menu)
  • ALT+F (Display the File menu)
  • ALT+O (Display the Favorites menu)
  • MMC Console Window Keyboard Shortcuts
  • CTRL+P (Print the current page or active pane)
  • ALT+Minus sign (-) (Display the window menu for the active console window)
  • SHIFT+F10 (Display the Action shortcut menu for the selected item)
  • F1 key (Open the Help topic, if any, for the selected item)
  • F5 key (Update the content of all console windows)
  • CTRL+F10 (Maximize the active console window)
  • CTRL+F5 (Restore the active console window)
  • ALT+ENTER (Display the Properties dialog box, if any, for the selected item)
  • F2 key (Rename the selected item)
  • CTRL+F4 (Close the active console window. When a console has only one console window, this shortcut closes the console)

 

Remote Desktop Connection Navigation

 

  • CTRL+ALT+END (Open the m*cro$oft Windows NT Security dialog box)
  • ALT+PAGE UP (Switch between programs from left to right)
  • ALT+PAGE DOWN (Switch between programs from right to left)
  • ALT+INSERT (Cycle through the programs in most recently used order)
  • ALT+HOME (Display the Start menu)
  • CTRL+ALT+BREAK (Switch the client computer between a window and a full screen)
  • ALT+DELETE (Display the Windows menu)
  • CTRL+ALT+Minus sign (-) (Place a snapshot of the active window in the client on the Terminal server clipboard and provide the same functionality as pressing PRINT SCREEN on a local computer.)
  • CTRL+ALT+Plus sign (+) (Place a snapshot of the entire client window area on the Terminal server clipboard and provide the same functionality as pressing ALT+PRINT SCREEN on a local computer.)

 

Internet Explorer Navigation

 

  • CTRL+B (Open the Organize Favorites dialog box)
  • CTRL+E (Open the Search bar)
  • CTRL+F (Start the Find utility)
  • CTRL+H (Open the History bar)
  • CTRL+I (Open the Favorites bar)
  • CTRL+L (Open the Open dialog box)
  • CTRL+N (Start another instance of the browser with the same Web address)
  • CTRL+O (Open the Open dialog box, the same as CTRL+L)
  • CTRL+P (Open the Print dialog box)
  • CTRL+R (Update the current Web page)
  • CTRL+W (Close the current window)

 

 

আশাকরি টিউনটি আপনাদের সবার কাছে ভাল লেগেছে। আর ভাল লাগলেই আমার এই প্রথম টিউন এর সার্থকতা। তবে ভাল লেগে থাকলে দয়াকরে মন্তব্য দিবেন। ভাল থাকেন সবাই আর থাকুন টেকনোলোজির সাথে, থাকুন Nullblogger এর সাথে।

১০০ কী-বোর্ড শর্টকার্ট-Nullblogger